পৃষ্ঠা

গর্ভের শিশু ছেলে না মেয়ে জেনে নিন নির্দিষ্ট কিছু উপসর্গ থেকে (USG ছাড়াই)

z

pregnancy


অন্ত:স্বত্ত্বা হওয়ার পর থেকেই হবু মা-বাবা থেকে শুরু করে বাড়ির সকলেই কৌতুহলের অন্ত থাকে না, যে আগত সন্তান ছেলে হবে না মেয়ে হবে। প্রতিটি গর্ভবতী স্ত্রী নানারকম ভাবে বোঝার চেষ্টা করেন গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে। কারণ তাকে ঘিরেই তো স্বপ্ন দেখতে থাকেন বাবা-মা।

ডাক্তারী শাস্ত্র মতে গর্ভ ধারনের  সপ্তাহে শিশুর লিঙ্গ র্নিধারন হয়। আধুনিক চিকিৎসায় আলট্রাস্নোগ্রাফের সাহায্যে লিঙ্গ জানা যায়। তবে ভারত সরকারের আইন অনুযায়ী চিকিৎসকরা আগে থেকে শিশুর লিঙ্গ সম্বন্ধে বাবা-মা দের কিছু জানান না।

বহু প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে যে বাড়ির বয়ষ্ক ঠাকুমা, দিদিমা বা দাইমারা অন্ত:স্বত্ত্বা মহিলার কিছু উপসর্গ দেখে বলতে পারেন, আগত সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে। দেখাগেছে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাদের কথা ঠিক হয়েছে। যদিও এগুলো কোন বিঞ্জান সম্মত উপায় নয়। চিকিৎসা শাস্ত্রে এর কোন উপযুক্ত বিজ্ঞানসম্মত ব্যখ্যাও নেই


আরও পড়ুন -  বিয়ের আগে কি কি পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরী


আজ আপনিও জেনে নিন কোন কোন উপসর্গ দেখে বুঝতে পারবেন গর্ভের সন্তানটি ছেলে না মেয়ে –

খাবারের প্রতি আকর্ষণ

গর্ভাবস্থায় বেশিরভাগ নারীদের হরমোনের তারতম্য দেখা যায়। ফলে হবু মায়েদের বিভিন্ন কিছু খাওয়ার প্রবল ইচ্ছা জাগে। যদি মিষ্টিযুক্ত খাবার বা চকলেট ইচ্ছা হয়, তাহলে মেয়ে আর যদি ঝাল বা নোনতা এবং মশলাদার খাবার খাওয়ার ইচ্ছা হয়, তাহলে ছেলে হওয়ার সম্ভবনা থাকে।

রূপ বা চেহারায় পরিবর্তন

বলা হয়, ভাবী সন্তান যদি মেয়ে হয় তা হলে সে নাকি মায়ের সব রূপ নিজের কাছে নিয়ে নেয়। ফলস্বরূপ, মায়ের ত্বক জেল্লাহীন হয়ে পড়ে, মুখে ব্রণ বেড়ে যায়। চুলের স্বাস্থ্যও খারাপ হয়ে যায়।

অন্যদিকে গর্ভবতী থাকাকালীন মায়ের রূপ যদি উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পায়, ত্বকের সাথে সাথে চুলের জেল্লা ও ঘনত্ব বেড়ে যায়, তা হলে ভাবী সন্তান ছেলে।


adhar

আরও পড়ুন -  কিভাবে আধার কার্ড সংশোধন করবেন জেনেনিন


সকালের অসুস্থতা (মর্নিং সিকনেস)

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মাথা ঘোরা, বমি-বমি ভাব এসব লক্ষণ দেখা দিলে আপনার আগত সন্তান ছেলে।

ব্রেস্টের মাপ

গর্ভাবস্তায় ভাবী মায়ের ব্রেস্টের মাপ এমনিতেই বেড়ে যায়। কারণ এই সময় মায়ের শরীরে দুধের সঞ্চয় হতে শুরু করে। সাধারণত হবু মায়ের ডানদিকের স্তন আকারে বড় হয়ে গেলে গর্ভস্থ সন্তান ছেলে হয়। আবার বামদিকের স্তন বড় হয়ে গেলে গর্ভস্থ সন্তান মেয়ে হয়।

পেটের অবয়ব ও অবস্থান

গর্ভবতী মায়ের পেট যদি নীচের দিকে ঝুঁকে যায়, অর্থাৎ পেট নিচের দিকে গোল একটা বলের আকারে ফুলে থাকে, তা হলে ভাবী সন্তান ছেলে। আর, যদি হবু মায়ের পেট যদি বেশ ছড়িয়ে প্রায় পেটের পুরো অংশ নিয়েই ফুলে ওঠে, তা হলে গর্ভস্থ সন্তান মেয়ে হয়।

আবার গর্ভাবস্থায় পেট বেশি ভারী মনে হলে, মেয়ে সন্তান। আর যদি ভার কম অনুভূত হয় তাহলে ছেলে সন্তান হয়।

হার্টবিট রেট

গর্ভাবস্তায় চিকিৎসকেরা প্রায়শই বাচ্চার হার্ট রেট মেপে থাকেন। এই সময় যদি দেখা যায় বাচ্চার হার্ট রেট ১৪০ বিট/ প্রতি মিনিট (BPM) এর বেশি অথবা সমান হয়, তাহলে শিশুটি মেয়ে। আর যদি হৃদস্পন্দনের রেট এর কম হয়, তাহলে গর্ভস্থ শিশুটি ছেলে হবে


আরও পড়ুনকেন তিনবার শাঁখ বাজাতে হয় ? জেনে নিন


ইউরিন কালার

হবু মায়ের প্রস্রাবের রং যদি গাড় হলদেটে হয় হলে ভাবী সন্তান ছেলে। আর যদি দেখেন উজ্জ্বল হলুদ রঙের প্রস্রাব হচ্ছে, তাহলে ভাবী সন্তান মেয়ে।

শোওয়ার ধরন

গর্ভবতী মা যদি বামদিকে কাত হয়ে শুতে পছন্দ করেন, তা হলে ভাবী সন্তান হয়তো ছেলে। আবার, মায়ের যদি ডানদিকে পাশ ফিরে ঘুমোতে বেশি আরামবোধ হয়, তা হলে ভাবী সন্তান মেয়ে।

মায়ের ওজন বৃদ্ধির হার

গর্ভাবস্থায় মায়ের চেহারায় যদি সামনের অংশ বেশি ভারী হয়ে যায় তবে মনে করা হয়, হবু সন্তান ছেলে। আর যদি মায়ের নিতম্ব এবং নিম্নাঙ্গে চর্বি জমলে বলা হয় হবু সন্তান মেয়ে।

পেটের দাগ বা লিনিয়া নিগ্রা

গর্ভবতী মায়ের পেটের ওপরে একটা গাঢ় রঙের লাইন দেখা যায় একে লিনিয়া নিগ্রা (Linea Nigra) বলে। এই দাগ তলপেটের নিচের দিক থেকে নাভি অবধি যায়, সেটা দেখা যায় যদি আপনার কন্যা সন্তান পেটে হয়।

যদি সেই দাগটি গর্ভাবস্থার শেষের দিকে মিলিয়ে যায়, আশা করতে পারেন যে ছেলে সন্তান হতে চলেছে। অন্য মতে - দাগটি যদি তলপেটের নিচের দিক থেকে শুরু করে পাঁজর অবধি আসে, তাহলে আপনার গর্ভে ছেলে সন্তান আশা করতে পারেন।


আরও পড়ুন - বাড়িতে আরশোলা মুক্ত করার ১০ টি ঘরোয়া পদ্ধতি 


মনে মনে প্রার্থনা করুন, যে আপনাদের কোলে আসতে চলেছে, ছেলে বা মেয়ে যাই হোক, সে যেন সুস্থ ও স্বাভাবিক ভাবে পৃথিবীতে আসে। এবং আগামী দিন গুলিতে আপনাদের আনন্দে ভরিয়ে রাখে। হাজার হোক সে আপনার অতি আদরের নাড়ি ছেঁড়া ধন। তাই কোন রকম গুজবে কান দিয়ে মনে মনে কিছু নিশ্চিত বলে ধরে নেবেন না। যুক্তি দিয়ে, বিচারবুদ্ধি দিয়ে বিশ্লেষণ করে তবেই কোনও তথ্য বিশ্বাস করুন। শেষে আবারও বলি ওপরের দেওয়া তথ্য গুলির সুর্নিদিষ্ট বিজ্ঞান সম্মত কোন ব্যখ্যা নেই। ভালো থাকুন, আনন্দে থাকুন আর আগামী প্রজন্মকে কোলে নেওয়ার জন্য দিন গুণতে থাকুন।


muktangan

ইমিউনিটি বাড়ানোর জন্য রসুন অনন্য, জেনেনিন রসুনের উপকারিতা এবং অপকারিতা


রত্যেক রান্না ঘরে রসুন এক অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ, স্বাদ ও গন্ধের জন্য আমিষ জাতীয় খাবার বিশেষ করে ডিম ও মাংস ছাড়াও বিশেষ কিছু রান্নাতে রসুন ব্যবহার করা হয়। প্রাচীন কাল থেকেই রসুন ঔষধি গাছ হিসাবে পরিচিত। প্রাচীন শাস্ত্রে উল্লেখ আছে মানুষ রসুনকে চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে প্রচুর পরিমানে রসুন ব্যবহার করে এসেছে।


garlic



রসুনে প্রচুর পরিমাণে সালফার যৌগ থাকে থাকে যাকে অ্যালিসিন বলা হয়। এই অ্যালিসিন কেবলমাত্র কাঁচা রসুনেই পাওয়া যায়। অ্যালিসিনের নানা ঔষধি গুণ আছে। রসুনে আছে প্রচুর পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট,  প্রোটিন তাছাড়া ভিটামিন বি-১, বি-২, বি-৩ ও বি-৬, ফোলেট, ভিটামিন-সি, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ফসফরাস, পটাশিয়াম, সোডিয়াম আর জিঙ্ক। 

 প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচা রসুনে নিম্নলিখিত খাদ্যগুণ থাকে


আর্দ্রতা ৬০.০০ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেড ২১.৮০ গ্রাম, প্রোটিন ৬.৩০ গ্রাম, আয়রণ ২.২০ মিলিগ্রাম, কপার ০.৬৩ মিলিগ্রাম, ম্যাঙ্গানিজ ০.৮৬ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ৩১০.০০ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩০.০০ মিলিগ্রাম, জিংক ১.৯৩ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ৭১.০০ মিলিগ্রাম, থায়ামিন ০.০৬ মিলিগ্রাম, রিবোফ্লোবিন ০.২৩ মিলিগ্রাম এবং ভিটামিন সি ১৩.০০ মিলিগ্রাম।


amloki



ঠান্ডা ও সর্দির ক্ষেত্রে রসুন খুবই উপকারী

 
যাদের স্থায়ীভাবে ঠান্ডা ও ফ্লুর সমস্যা আছে রসুন তাদের এটা থেকে মুক্তি দিতে পারে। এক্ষেত্রে রসুন চা সবচেয়ে উপকারী। রসুন চা তৈরি করতে দুটো রসুনের কোয়া থেতো করে সাথে লবঙ্গ ফুটন্ত জলে দিন, স্বাদ অনুযায়ী আদা ও মধু যোগ করুন। আপনি ১০ মিনিটের মধ্যেই ভাল বোধ করবেন। তবে এটি শূধু ঠান্ডা নিরাময় করে না তবে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায় ।

হার্টের সমস্যার সমাধানে রসুন

 
হার্টের চিকিৎসায় রসুনকে সুপারফুড বলা হয়। রসুন হাইপার-টেনশন কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া রসুন রক্তের ঘনত্বকে কমায় ও রক্ত সঞ্চালনকে স্বাভাবিক রাখে। ফলে হার্টও সুস্থ থাকে। রসুনে থাকা অ্যালিসিনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের কারণে প্রতিদিন  রসুন গ্রহণ কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করতে সহায়তা করে। রক্তচাপ এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতেও এটি প্রচুর উপকারী। আর জমাট বাধা রক্ত পাতলা করতেও রসুন ব্যবহার করা হয়। যার ফলে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমে। 


Turmeric


ত্বক ও চুলের জন্য রসুন খুবই উপকারী

 
ফ্রি-র‍্যাডিক্যালের ক্ষতিকর প্রভাব ও কোলাজেনের ভাঙ্গন থেকে রসুনের উদ্দীপক বৈশিষ্ট্যগুলি আমাদের ত্বককে রক্ষা করে। কোলাজেনের ভাঙনের ফলে আমাদের ত্বক বয়স্ক দেখায়। রসুন আমাদের ত্বকের ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক অ্যান্টি-এজিং-এর কাজ করে ও ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা রক্ষা করে।  তাছাড়া রসুন দাদরোগের মতো ছত্রাকের সংক্রমণ, ফাঙ্গাল ইনফেকশনে আক্রান্ত ত্বকে আশ্চর্যভাবে নিরাময় করে এবং একজিমার মতো  ত্বকের অসুস্থতা থেকে মুক্তি দেয়। ব্রণ শুকোতেও রসুন অত্যন্ত উপকারী। তাছাড়া ত্বকের সারফেসে থাকা ব্যাকটেরিয়াকেও রসুন ধ্বংস করে ও ব্রণর সম্ভাবনা কমায়।
চুল পড়া সমস্যায় আমরা সবাই পেঁয়াজের ব্যবহার সম্পর্কে জানি তবে এই সমস্যায় রসুনের কার্যকারীতা পেয়াজের চেয়ে কোনও অংশে কম নয়। এক কোয়া রসুনের টুকরো কেটে মাথার তালুতে ভালকরে ঘসুন। রসুনে থাকা প্রাকৃতিক তেল চুল পড়ার হাত থেকে রক্ষা করে এবং চুলের গোড়া মজবুত করে।

রসুন শরীরে অনাক্রম্যতা বাড়ায়

 
রসুনে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি, ভিটামিন-বি৬, সেলেনিয়াম আর ম্যাঙ্গানিজ থাকে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়ায়। আর রসুনের অ্যান্টি-ভাইরাল গুণ থাকায় তা ভাইরাস বাহিত বিভিন্ন রোগের হাত থেকে আমাদের বাঁচায় ও শরীরে এইসব ক্ষতিকারক ভাইরাসের বিরুদ্ধে একধরণের অনাক্রম্যতা তৈরি করে। বিগত বহু বছর ধরে ব্যাকটিরিয়া, ছত্রাক এবং পরজীবী সংক্রমণের চিকিত্সার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে রসুন।
 




যৌন শক্তি বৃদ্ধিকারক হিসাবে কাজ করে রসুন

 
রসুন শুক্র ও শক্তিবর্দ্ধক হিসাবে কাজ করে। সুস্থ বীর্য তৈরিতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার। যৌন অক্ষমতার ক্ষেত্রে রসুন খুব ভালো ফল দিয়ে থাকে৷ যৌন ইচ্ছা ফিরে আনার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার খুবই কার্যকরী৷ প্রতিদিন নিয়ম করে দু’কোয়া  কাঁচা রসুন খেলে স্ত্রী-পুরুষ উভয়েরই যৌবন দীর্ঘস্থায়ি হয়। পড়ন্ত যৌবনে চলেগিয়েছেন এমন ব্যক্তিরা প্রতিদিন দু’কোয়া রসুন খাঁটি গাওয়া ঘি-এ ভেজে মাখন মাখিয়ে খেতে পারেন। তবে খাওয়ার শেষে একটু গরম জল বা দুধ খাওয়া উচিৎ। এতে ভাল ফল পাওয়া যাবে।

অস্টিও-আরথ্রাইটিস কমাতে রসুন অব্যর্থ

 
বিভিন্ন স্টাডি থেকে জানা গেছে যেসমস্ত মানুষ রোজ সকালে উঠে নিয়ম করে এক বা দু’কোয়া কাঁচা রসুন খান, তাঁদের অস্টিও-আরথ্রাইটিসের সম্ভাবনা বহুগুণ হ্রাস পায়। কারণ রসুনের অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট বৈশিষ্ট্য ডায়ালিল ডাই-সালফাইড নামক যৌগ থাকে, যা শরীরের কার্টিলেজকে ক্ষতিগ্রস্তকারী উৎসেচকের পরিমাণ কমায়। হাত-পায়ের হাড়ের সংযোগস্থলের ব্যথা ও প্রদাহ কমায় ফলে রিউম্যাটয়েড আরথ্রাইটিসের রোগীরা উপকার পান।

যক্ষ্মা প্রতিরোধক

 
বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে রসুনে এত উপাদান যে যক্ষ্মা বা টিবি জাতীয় সমস্যায় প্রতিদিন রসুন সেবনে এই রোগ সম্পূর্ণ নির্মূল করা সম্ভব।

গাঁঠের ব্যথা থেকে মুক্তি দেয় রসুন

 
যেকোরকম ব্যথায় রসুনের তেল দিয়ে ম্যাসাজ করুন এবং ব্যথা এবং অস্বস্তি থেকে নিজেকে মুক্ত করুন। প্রতিদিন এটি ব্যবহার করলে অস্টিওপরোসিস, অস্টিওমালিয়া এবং আর্থ্রাইটিসের এর মত রোগের ব্যথাও কমতে বাধ্য।

আরও পড়ুন -  জেনেনিন সুগার কন্ট্রোলে রাখার কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি 


রসুন খাওয়ার নিয়ম

 
কাঁচা রসুনে উপকারিতা অনেক গুন বেশি থাকে।
সকালে একদম খালি পেটে কাঁচা রসুন খাওয়া উচিত।
রসুনের 2-3 টি কোয়া খুলে 10-15 মিনিট রেখেদিন, তারপর জল দিয়ে খেয়ে নিন।
রসুনকে 30 মিনিটের বেশি রান্না করলে তার গুণগুলি কমে যায়।
লেবুর রসের সাথে কাঁচা রসুন খেলে ওজন কমানোর জন্য ভাল ফল পাওয়া যায়।

রসুনের কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

 

  • প্রতিদিন 2-3 কোয়ার বেশি কাঁচা রসুন না খাওয়াই ভালো, বেশি রসুন খেলে নানা রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  • কাঁচা রসুন বেশি খেলে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায় ফলে খুব ঘাম হয়।
  • খালি পেটে রসুন খেলে ডায়রিয়া হতে পারে। কারণ রসুনে আছে সালফার যা পেটে গ্যাস তৈরি করে এবং ডায়রিয়া হওয়ার পেছনে এর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা গ্রহণ করে।
  • মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে বেশি পরিমান রসুন না খাওয়ায় ভাল।
  • বেশি রসুন খেলে ত্বকে চুলকানি, লালচে ভাব, ঘামাচি বা শুষ্কতা দেখা যায়।
  • দুগ্ধদানকারী মায়েরা এবং গর্ভবতী মহিলারা কাঁচা রসুন খেলে অনেক রকম সমস্যা দেখা দেয়, তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া রসুন না খাওয়াই ভাল।
  • উচ্চরক্তচাপ কমানোর জন্য কাঁচা রসুন খুবই উপকারী কিন্তু অতিরিক্ত রসুন খেলে উল্টো প্রভাব দেখা দিতে পারে নিম্ন রক্তচাপ জনিত সমস্যা হয়।
  • যাদের শরীরে রক্তক্ষরণ বন্ধ হয় না তাদের কাঁচা রসুন না খাওয়াই ভালো।
  • রক্তের ঘনত্ব কমানোর প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে রসুনের ব্যবহার সর্বাধিক। তাই যারা ‘ওয়ারফারিন’ ‘অ্যাসপিরিন’ ইত্যাদি ‘ব্লাড থিনার’ ধরনের ওষুধ সেবন করেন তাদের অতিরিক্ত রসুন খাওয়া উচিত নয়। কারণ এতে রক্ত অতিরিক্ত পাতলা হয়ে আভ্যন্তরীন রক্তপাত শুরু হতে পারে।
  • রসুন বেশি খেলে মুখে দুর্গন্ধ হয়। এর প্রধান কারণ রসুনে থাকা সালফার।



বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ 
 
 
 অতিরিক্ত রসুন খেলে রক্ত সহজে জমাট বাঁধে না যা সার্জারীর জন্য বিপদজনক, গর্ভাবস্থায় ও দুগ্ধদানকারী মাতা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কাঁচা রসুন খাবেন না।

মুখে ঘা কেন হয় ? জেনেনিন সম্পূর্ণ ঘরোয়া উপায়ে মুখের ঘা প্রতিরোধের কিছু পদ্ধতি

মুখে ঘা


আজকাল প্রায়শয় একটি সমস্যা খুবই দেখা যাচ্ছে মুখের ভেতর গালের ভেতর বা জিভে বা ঠোটের ভেতর ঘা। অনেকেই বারংবার এমন সমস্যার সম্মুখিন হচ্ছেন। মুখে বেশ বড় গর্ত নিয়ে ক্ষত বা ঘায়ের সৃষ্টি হওয়া, ব্যথায় মুখ নড়াচড়া না করতে পারা, ঝাল এবং নোনতা খাওয়া খুব মুশকিল বেশ যন্ত্রণাদায়ক। যদি এইরকম সমস্যায় প্রায়ই পড়েন তাহলে সেটি খুবই চিন্তার বিষয়। কারণ এ ক্ষত পরবর্তীতে বড় কোনো রোগ ডেকে আনতে পারে।
মুখের ভেতরের নরম চামড়া এবং ঝিল্লি আবরণ কোনো কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হলে সাধারণত মুখে ছোট ছোট দানার মতো ঘা দেখা দেয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখাগেছে এমনিতেই সেরে যায়। কিন্তু বারবার মুখে ঘা হলে এবং তা না সারলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।


anti body


মুখে ঘা কেন হয় ?

  • বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখাগেছে তীব্র পরিমাণে ভিটামিনের অভাব থাকলে মুখের ঘা হয়। যেমন ভিটামিন বি-৬, ভিটামিন বি-১২ অথবা অন্য কোন ভিটামিন।
  • গর্ভাবস্থায় গর্ভবতী মায়েদের মুখে ঘা হতে পারে শারীরিক পরিবর্তনের জন্য।
  • দাঁতের ও মাড়ির কোনো রোগ থাকলেও সেই জীবাণু দিয়ে মুখে ঘা হতে পারে।
  • মুখের ভিতরে বিভিন্ন ধরনের ছত্রাক সংক্রমণ হলে মুখে ঘা হতে পারে। 
  • ধূমপান, পান, মদ  ইত্যাদি নেশা জাতীয় জিনিস খেলেও মুখে ঘা হতে পারে।
  • ডায়াবেটিস, এইডস, ক্যান্সার এমন রোগ আছে তাদেরও অনেক সময় মুখে ঘা হতে পারে।
  • মুখে অ্যালার্জি থাকলে ও ঘা হতে পারে।
  • রাতে ঘুম না হলে অথবা দেরি করে ঘুমালে, পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হলে, অনেক বেশি দুশ্চিন্তা করলেও মুখে ঘা হতে পারে।
  • ঠাণ্ডা লাগলে মুখে ঘা হতে পারে।
  • মুখের মাড়ি আঘাতগ্রস্ত হয়ে ও অনেক সময় এই ঘা হয়। জোরে জোরে দাঁত ব্রাশ করলেও এ ঘা হতে পারে।
  • এছাড়া নিয়মিত সঠিকভাবে ব্রাশ না করলে, মুখের ভেতর অপরিচ্ছন্ন থাকলে, ঝাল-মশলা বা গরম খাবার বেশি খেলে মুখে ঘা হতে পারে। আবার অপরিস্কার ইনহেলার নিয়মিত ব্যবহার, স্টেরয়েড-জাতীয় ওষুধ সেবন থেকেও মুখে ঘা হতে পারে।



মুখের ঘা দূর করার কিছু ঘরোয়া উপায়


হলুদ

হলুদ গুঁড়ো নিয়ে তাতে সামান্য মধু মিশিয়ে সেই মিশ্রণ মুখের ভেতরে হওয়া ঘা-এ লাগান। দ্রুত উপকার পাবেন


যষ্টিমধু

যষ্টিমধু মুখের ঘা দূর করতে বেশ কার্যকরী। এক টেবিল চামচ যষ্টিমধু দুই কাপ জলে রাতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে এই জল দিয়ে ভালকরে কুলি করুন।

টি ব্যাগ

দ্রুত ব্যথা এবং ইনফ্লামেশন দূর করে টি ব্যাগ। একটি টি ব্যাগ ঠান্ডা জলে ভিজিয়ে সেটি ঘায়ের স্থানে লাগান। ব্যথা এবং ঘা দুই কমে যাবে।


Turmeric


ধনে পাতা

ধনে পাতা জলে ফুটিয়ে সেই জল দিয়ে কুলকুচি করুন। দিনে কয়েকবার করে করলে আরাম পাবেন।

নারকেল দুধ

এক টেবিল চামচ নারকেল দুধের সঙ্গে মধু ভালভাবে মিশিয়ে নিন। এবার মিশ্রনটি ঘায়ের স্থানে লাগিয়ে রাখুন। দিনে তিন থেকে চারবার ব্যবহার করুন। 

তুলসি

তুলসির পাতায় অনেক ঔষধি গুণ। মুখে ঘা হলে কয়েকটি তুলসির পাতা চিবিয়ে নিন। তুলসি পাতার রসে ঘা সেরে যাবে। অথবা কয়েকটি তুলসি পাতাসহ জল দিনে তিন থেকে চারবার পান করতে পারেন।



অ্যালোভেরা জেল

 অ্যালোভেরা জেল প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপ্টিক যার অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিফিংগাল, অ্যান্টিভাইরাল উপাদান আছে যা ক্ষতও কমিয়ে দিতে পারেন। অ্যালোভেরা জেল বা জুস মুখের ঘা কমাতে সক্ষম।


টুথপেস্ট

টুথপেস্টের মধ্যে রয়েছে জীবাণুনাশক অনেক উপাদান। এছাড়া, এর মধ্যে রয়েছে কুলিং মিন্ট। যা ব্যথায় আরাম দেয়। 

ঘায়ের ব্যথা বেশি হলে উপসমের জন্য এক টুকরা বরফ নিয়ে ঘায়ের স্থানে রাখুন। অথবা ঠাণ্ডা জল দিয়ে কুলিকুচি করুন।




বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: এই নিবন্ধের জন্য কোনোভাবেই মুক্তাঙ্গন দায়ী নয়। ওপরে বলা তথ্য মেনে চলার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়।

মিসড্ কল দিয়ে জানুন অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স, সমস্ত ব্যাঙ্কের টোল ফ্রি নাম্বার সহ



Bank



এই প্রতিবেনটি পড়ার পর আপনাকে আর ব্যাঙ্কে লাইন দিতে হবে না অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স জানার জন্য । শুধু মাত্র মোবাইল থেকে একটি মিসড কল দিলেই আপনার হাতে চলে আসবে অ্যাকাউন্টের সর্বশেষ ব্যালেন্স। দেশের প্রতিটি ব্যাঙ্কের একটি করে টোল ফ্রি নম্বর রয়েছে যে নম্বরে মিসড কল দিলেই পাওয়া যাবে ব্যালেন্সের বিস্তারিত বিবরণ । অবশ্য আপনার ব্যাঙ্কের সাথে রেজিস্টার্ড করা মোবাইল নম্বর থেকে ঐ টোল ফ্রি নম্বরে মিসড কল দিতে হবে ।

অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স জানার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যাঙ্কগুলির মিসড কল দেওয়ার টোল ফ্রি নম্বর
  • স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া -- ৯২২৩৭৬৬৬৬৬ 
  • ইউকো ব্যাঙ্ক -- ৯২৭৮৭৯২৭৮৭ 
  • ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া -- ৯২২৩০০৮৫৮৬
  • পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক -- ১৮০০১৮০২২২২/১৮০০১০৩২২২২ 

atm


  • পশ্চিমবঙ্গ গ্রামীণ ব্যাঙ্ক -- ৯০২২০৯৯৪০০ 
  • এলাহাবাদ ব্যাঙ্ক -- ৯২২৪১৫০১৫০ 
  • ব্যাঙ্ক অফ বরোদা -- ৮৪৬৮০০১১১১ 
  • বন্ধন ব্যাঙ্ক -- ৯২২৩০০৮৬৬৬
  • এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক -- ১৮০০২৭০৩৩৩৩ 
  • আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক -- ০২২৩০২৫৬৭৬৭ 
  • আইডিএফসি ব্যাঙ্ক -- ১৮০০২৭০০৭২০ 
  • আইডিবিআই ব্যাঙ্ক -- ১৮০০৮৪৩১১২২ 
  • বিজয়া ব্যাঙ্ক -- ১৮০০১০৩৫৫২৫ 
  • ইয়েস ব্যাঙ্ক -- ৯২২৩৯২০০০০ 
  • কানাড়া ব্যাঙ্ক -- ৯০১৫৪৮৩৪৮৩ 
  • দেনা ব্যাঙ্ক -- ৯২৮৯৩৫৬৬৭৭ 
  • ধনলক্ষী ব্যাঙ্ক -- ৮০৬৭৭৪৭৭০০
  • বরোদা গুজরাট গ্রামীণ ব্যাঙ্ক -- ৭৮২৯৯৭৭৭১১ 
  • ভারতীয় মহিলা ব্যাঙ্ক -- ৯২১২৪৩৮৮৮৮ 
  • সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া -- ৯৫৫৫২৪৪৪৪২ 
hacker


  • কর্পোরেশন ব্যাঙ্ক -- ৯২৬৮৮৯২৬৮৮
  • ডিসিবি ব্যাঙ্ক -- ৭৫০৬৬৬০০১১ 
  • ফেডারেল ব্যাঙ্ক -- ৮৪৩১৯০০৯০০ 
  • ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্ক -- ৯২৮৯৫৯২৮৯৫
  • ইন্ডাসইন্ড ব্যাঙ্ক -- ১৮০০২৭৪১০০০ 
  • কারুর বৈশ্য ব্যাঙ্ক -- ৯২৬৬২৯২৬৬৬
  • কোটাক মাহিন্দ্রা ব্যাঙ্ক -- ১৮০০২৭৪০১১০ 
  • ওরিয়েন্টাল ব্যাঙ্ক অফ কমার্স -- ৮০৬৭২০৫৭৫৭ 
  • আরবিএল ব্যাঙ্ক -- ৯০১৫৪৮৩৪৮৩ 
  • সিন্ডিকেট ব্যাঙ্ক -- ০৯২৪১৪৪২২৫৫/৮০৬৭০০৬৯৭৯ 
  • সাউথ ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্ক -- ৯২২৩০০৮৪৮৮ 

পায়ের গোড়ালি ফাটার সমস্যা, জেনেনিন কিছু ঘরোয়া উপায়


শুধু শীতকাল নয়, শীত ছাড়াও প্রায় বছরই অনেকের পায়ের গোড়ালি ফাটে। পায়ের গোড়ালি ফাটার অনেক কারন রয়েছে যেমন, সারা শরীরের পুরো চাপটা পড়ে পায়ের গোড়ালিতে, তাছাড়া রাস্তার ধূলাবালি বা মাটির সংস্পর্শেও অনেকের গোড়ালি ফাটে। আবার অনেক সময় অযত্নের ফলেও এই সমস্যা দেখা দেয় গোড়ালি ফাটা খুবই কষ্টকর। অনেকের ক্ষেত্র দেখা গেছে সময় সময় রক্ত পর্যন্ত পড়ে। এর পেছনে রয়েছে সচেতন ভাবে পায়ের ত্বকের যত্নের অভাব। এই অভাব খুব সহজেই দূর করা যায়। আসুন জেনে নিই পায়ের গোড়ালি ফাটার কারণগুলো ও তার ঘরোয়া প্রতিকার

Ankle sprain


পায়ের গোড়ালি ফাটার কারণ


  • শরীরে ভিটামিন এর অভাব হলে পা ফেটে থাকে।
  • ক্যালসিয়াম, জিংক ও আয়রনের ঘাটতি পা ফাটার অন্যতম কারণ।
  • বয়স বাড়ার কারণে ত্বকের পরিবর্তনে।
  • গোড়ালির ত্বক একটু মোটা।
  • মানবদেহে জল কম হওয়ার কারণে পা ফাটতে দেখা যায়।
  • খুব বেশি গরম জলে স্নান করলে।
  • অতিরিক্ত ওজন হলে।
  • পায়ে দীর্ঘ সময় কাদা-মাটি বা ধুলাবালি লেগে থাকলে।
  • দীর্ঘক্ষণ ভেজা পরিবেশে বা স্যাঁতস্যাঁতে জায়গায় এ থাকলে।
  • পায়ের যত্নের অভাব।
  • অপরিচ্ছন্ন জুতো বা জুতোর সাইজ ঠিক না হলে।
  • দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে কাজ করতে হয় যাদের।
  • পুষ্টির অভাব।
  • ডায়বেটিস রোগীদের স্নায়ুজনিত সমস্যার কারণে।
  • থাইরয়েড, ডায়াবেটিস, সোরিয়াসিস, একজিমা, ইত্যাদি কিছু রোগের কারণে হতে পারে।
  • শুষ্ক জলবায়ু।
  • নিষ্ক্রিয় ঘর্মগ্রন্থি।
  • জেনেটিক বা বংশগত কারণে।

Mouth


পায়ের গোড়ালি ফাটার প্রতিরোধে কিছু ঘরোয়া উপায়


পাঠক বন্ধুকে বলব সমস্যা হওয়ার পর সচেতন হওয়ার চেয়ে আগে থেকে সচেতন হওয়াই ভালো। গোড়ালি ফাটা সমস্যা থাকলে আগে থেকে ব্যবস্থা নেওয়ায় সবচেয়ে ভালো। ঘরোয়া পদ্ধতিতে গোড়ালি ফাটা প্রতিরোধের কিছু উপায় নিচে দেওয়া হল –

নারকেল তেল, বাদাম তেল, অলিভ অয়েল, তিলের তেল, সরষের তেল ইত্যাদি ভেজিটেবল অয়েল গোড়ালির ফাটা অংশে লাগাতে পারেন ময়েশ্চারাইজার হিসেবে। সারারাত পা ঢেকে রাখতে হবে, এক্ষেত্রে সুতির মোজা ব্যবহার করতে পারেন।

অ্যালোভেরায় ভিটামিন এ, সি এবং ই থাকে। এই কারণে ত্বকের জন্য অ্যালোভেরার জেল খুবই কার্যকরী। হালকা গরম জলে ভালকরে পা ধুয়ে, পা-ঘষার পাথর দিয়ে গোড়ালি ঘষে পরিষ্কার করে ভাল করে অ্যালোভেরা জেল লাগান পায়ের গোড়ালি এবং তলায়। সারারাত সুতির মোজা দিয়ে পা ঢেকে রাখতে হবে। সকালে উঠে হালকা গরম জলে পা ধুয়ে নিন।


breast cancer



এক চা চামচ ভ্যাসলিন এর সাথে কয়েক ফোটা লেবুর রস মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে ফাটা অংশে সারা রাত পায়ে লাগিয়ে রাখুন। অবশ্যই রাতভর সুতির কাপড় দিয়ে পা ঢেকে রাখুন, কয়েকদিনেই পায়ের গোড়ালি ফাটা দূর হবে ও পা নরম মশ্রিণ হয়ে যাবে।

লেবুর রস গোড়ালির মৃত কোষগুলো তুলে ফেলে এবং পা ফাটা প্রতিরোধ করে। লেবুর রস পায়ে লাগিয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ব্রাশ দিয়ে হালকা করে ঘষে মৃত কোষগুলো তুলে ফেলুন।

হালকা গরম জলে তিন - চার চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। সেই মিশ্রণে ১৫ মিনিট পা ডুবিয়ে বসে থাকুন। পায়ের ত্বক অনেক নমনীয় হবে। এরপর জল থেকে পা তুলে ব্রাশ দিয়ে হালকা করে ঘষে


প্যারাফিন বা মোম আর সরিষার তেল একসাথে মিশিয়ে ফাটা জায়গায় লাগিয়ে রাখুন, ১০ মিনিট পর ভাল করে ওয়াশ করতে হবে। পর পর ১০-১৫ দিন করলে ভালো রেজাল্ট পাওয়া যায়।
পাঁকা কলা চটকে পেস্ট তৈরী করে গোড়ালির ফাটা জায়গায় পুরু করে লাগিয়ে রাখুন, ১০ মিনিট পর জল দিয়ে ধুঁয়ে ফেলুন।

ওটমিল আর জোজোবা অয়েল এক সাথে মিশিয়ে এই মিক্সার দিয়ে ফুট স্ক্রাব করলে পায়ের ময়েশ্চারাইজার ঠিক থাকবে। আর পা ফাটার ক্ষেত্রে এই মিশ্রনের ঘন পেস্ট তৈরি করে ফাটা জায়গায় লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে জল দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে (১দিন পর পর করলে ভাল উপকার পাওয়া যায়)।

মধু পায়ের যত্নে অত্যন্ত কার্যকরী উপাদান। এক বালতি হালকা গরম জলে এক কাপ মধু মিশিয়ে নিন। তারপর সেই মিশ্রণে দুই পা ডুবিয়ে রাখুন এবং হালকা ম্যাসাজ করতে থাকুন । তারপর পা-ঘষার পাথর দিয়ে শক্ত চামড়া ঘষে পরিষ্কার করে দিন। এতে অনেক উপকার পাবেন।
বাজারে দশকর্মার দোকানে এভোক্যাডো পাবেন, এর সাথে নারিকেল তেল এবং পাঁকা কলা ভাল করে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে পায়ের ফাটা জায়গায় লাগান। গোড়ালি ফাটা ঠেকাতে এই মিশ্রন খুবই উপকারী।

পায়ের গোড়ালি ফাটা কমাতে কিছু খাবার

পা ফাটা চিকিৎসা আর প্রতিরোধে আপনার খাবারে রাখুন ক্যালসিয়াম, আয়রন, জিঙ্ক এবং ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন ই এবং মিনারেলস। নিয়মিত দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, সামুদ্রিক মাছ,


muktangan

আরশোলার উপদ্রবে অতিষ্ঠ, সম্পূর্ণ ঘরোয়া পদ্ধতিতে কিভাবে আরশোলা মুক্ত করবেন নিজের বাড়ি

 
 এমন বাড়ি পাওয়া প্রায় অসম্ভব যেখানে আরশোলা বা তেলাপোকা নেই, কম বা বেশী আরশোলার উপদ্রপে আমরা সবাই অতিষ্ঠ। আর মহিলাদের কাছে আরশোলা নামটায় যথেষ্ট লাফিয়ে চেঁচিয়ে বাড়ি মাথায় ।


Cockroach


আরশোলা বা তেলাপোকা থেকে মুক্তি পেতে আমরা অনেকেই বাজারচলতি নানা রাসায়নিক স্প্রে-র উপর নির্ভর করে থাকি। কিন্তু সে সব রাসায়নিকেরও বেশ কিছু ক্ষতিকর দিক আছে । বেশ কিছু ঘরোয়া উপায় আছে যার সাহায্যে দ্রুত ঘরকে আরশোলা মুক্ত করা যায় ।

তেজপাতা 

 সব চেয়ে সহজ ও সস্তা উপায়ে আরশোলা তাড়াতে এর চেয়ে ভাল পদ্ধতি আর নেই।  তেজপাতার গন্ধ আরশোলা সহ্য করতে পারে না। ফলে যেখানে তেজপাতা থাকে সেখানে আরশোলা থাকে না। তাই যেখানে আরশোলার আনাগোনা বেশি সেখানে তেজপাতা হাতে ছিঁড়ে ফেলে রাখুন বা তেজপাতার গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন। তেলাপোকা এমনিতেই চলে যাবে।

বেকিং সোডা

এটা আরশোলা মারার একটি সহজ পদ্ধতি। বেকিং সোডার সঙ্গে মেশান মধু বা চিনির একটি মিশ্রণ তৈরি করে আরশোলা বা তেলাপোকার উপদ্রব এমন জায়গায় ছিটিয়ে দিতে পারেন। চিনির আকর্ষণে তেলাপোকা কাছে আসবে আর বেকিং সোডার প্রকোপে মারাও পড়বে।

গোলমরিচ, পেঁয়াজ, রসুন

ঘরোয়া পদ্ধতিতে অরাসায়নিক ভাবে আরশোলা মারার এটি সেরা উপায়। একচামচ গোলমরিচ, কিছুটা রসুন আর অর্ধেক পেঁয়াজ একসঙ্গে বেটে পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার এক লিটার জলে এই পেস্টটা দিয়ে ভাল করে গুলে নিন। ঘরের আনাচে কানাচেতে এই জল স্প্রে করলেও নিশ্চিহ্ন হবে আরশোলার বংশ। আরশোলা এই মিশ্রণের গন্ধ সহ্য করতে পারে না। আর পালাবে আপনার বাড়ি ছেড়ে।

কেরোসিন তেল

প্রতিদিন ঘর মোছার সময় ৪ থেকে ৫ ফোটা কেরোসিন তেল জলে মিশিয়ে ব্যবহার করুন। আরশোলা, মশা, মাছি ও অন্যান্য পোকামাকড়ের উপদ্রব থেকে বাঁচবেন।

বোরিক পাওডার

বোরিক পাওডারের সঙ্গে ময়দা বা আটা মেখে একটা ডো তৈরি করে নিন। এর ছোট ছোট টুকরো করে ঘরের বিভিন্ন জায়গায় এবং কোনা কাঞ্চিতে ছড়িয়ে রাখুন। এই ডোতে মুখ দিলেই মরে যাবে আরশোলা।

অ্যামোনিয়া 

অ্যামোনিয়া গন্ধ একটু কটু যা আরশোলা সহ্য করতে পারে না। এক বালতি জলের মধ্যে দুই কাপ এমোনিয়া রান্না ঘরের সিংক এবং বাথরুমে ছিটিয়ে দিন। অ্যামোনিয়ার গন্ধে আরশোলা চলে যাবে। তেলাপোকা মুক্ত ঘর রাখতে সপ্তাহে এক বা দুইবার এটা করতে পারেন।

সাবান

আরশোলা থেকে পরিত্রাণ পেতে গায়ে মাখা সাবানও ব্যবহার করা যায়। জলে গায়ে মাখা সাবান গুলিয়ে আরশোলার গায়ে ছিটিয়ে দিন বা যে সমস্ত জায়গায় আরশোলার উপদ্রব সেখানে স্প্রে করুন। এতে বেশির ভাগ তেলাপোকাই মরে যাবে।

বোরিক আসিড

বোরিক আসিড ময়দা এবং চিনির সাথে মিশিয়ে লাড্ডুর মত বানিয়ে ঘরের কোনায় কোনায় রেখে দিন। সকালে দেখবেন আরশোলার ফুল ফ্যামিলি মরে পরে আছে।


tips


শশা

একটি টিনের কৌটয় কাটা শশা ভরে মুখ খুলে বেসিনের নীচে, জলের পাইপের মুখে রেখে দিন। আরশোলা চলে যাবে। তবে দুদিন পর শসা বদলে দিন না হলে মাছির উপদ্রব বেড়ে যাবে।

কাঁচের জার

ঘরের কোনে সাদা কাঁচের জারে অর্ধেক জল ভরে রেখে দিন। আরশোলা খালি ভেবে এর ভিতরে ঢুকলেই জলে আটকা পড়বে। পাখনা ভিজে যাবে আর উড়তে পারবে না।



muktangan

দোকানের মত খাস্তা মুচমুচে ফুচকা কিভাবে বাড়িতে বানাবেন ?


আপনি কি ফুচকা প্রেমী? অনেকদিন ফুচকা খাওয়া হয়নি, অসুবিধা কি, বাড়িতে যা আছে তাই দিয়েই বানিয়ে ফেলুন ফুচকা। ঠিকমত বানাতে পারলে হবে একদম দোকানের মত সুন্দর মুচমুচে ও সুস্বাদু।

pani puri


উপাদান

ফুচকা বানানোর জন্য (৫০-৫৫ টা ফুচকা)

  • না ভাজা সুজি ১ কাপ,
  • বেকিং সোডা ১/৮ চা চামচ,
  • ময়দা ১ টেবিল চামচ,
  • নুন ১/৪ চা চামচ,
  • জল প্রয়োজন মতো (৬ টেবিল চামচ),
  • সাদা তেল ডো -এর জন্য ১ চা চামচ, ভাজার জন্য পরিমাণ মতো।

আলু মাখার জন্য

  • আলু ৪-৫ টা মাঝারি মাপের,
  • সেদ্ধ ছোলা ৪-৫ টেবল চামচ,
  • তেঁতুলের কাই ২ টেবল চামচ,
  • ধনেপাতা কুচি ৩ চা চামচ,
  • ভাজা জিরে গুঁড়ো ১ চা চামচ,
  • চাট মশলা ২ চা চামচ,
  • বিটনুন এবং কাঁচা লঙ্কা কুচি পরিমাণ মতো।

তেঁতুল জল বানানোর জন্য

  • ভাজা জিরে গুঁড়ো ২ চা চামচ,
  • লাল লঙ্কা গুঁড়ো ১ চা চামচ,
  • চাট মশলা ২ চা চামচ,
  • তেঁতুলের কাই ৪ টেবল চামচ ,
  • গুড়
  • বিটনুন পরিমাণ মতো,
  • গন্ধরাজ লেবু ১/৪ টুকরো,
  • জল ৫-৬ কাপ পরিমাণ মত।


upma


পদ্ধতি

ফুচকা বানানোর জন্য

প্রথমেই বলে রাখি ফুচকা বানানোর প্রধান  আপনি যদি ঠিক মত মন্ড তৈরী করতে পারেন তবে ফুচকা গোল হয়ে ফুলবে এবং মুচমুচে খাস্তা হবে

একটি পাত্রে সুজি, ১ টেবল চামচ সাদা তেল, বেকিং সোডা আর নুন নিয়ে ভালো করে মেশাতে হবে এবার ওই মিশ্রণে ময়দা যোগ করে ভালো করে মিশিয়ে ওতে প্রথমে বড় চামচ মতো জল দিতে হবে ভাল করে মাখতে হবে যখন দেখবেন সুজি সব জল শুষে নিচ্ছে, আরও বড় চামচ জল দিতে হবে কিছুক্ষণ সময় নিয়ে মন্ডটিকে ময়দা মাখার মতো ভালো করে ঠেসে ঠেসে মাখতে হবে। প্রথমেই বলেছি ভালো করে না মাখা হলে ফুচকা ফুলবেই না। লক্ষ্য রাখতে হবে মন্ড যেন খুব নরম না হয়, আবার খুব শক্তও না হয়। প্রয়োজনে জল বেশী হয়ে গেলে কিছুটা সুজি আর শক্ত হয়ে গেলে অল্প জল দিতে পারেন। মন্ড যেন ইলাস্টিকের মতো হয়।

এরপর মন্ডটা ভেজা কাপড় দিয়ে জড়িয়ে ৩০ মিনিট - ১ ঘণ্টা রাখতে হবে। তারপর আবার একবার ভাল করে মেখে নিন। এবার মন্ডকে ২-৩ ভাগে ভাগ করে তারপর সাধারন ভাবে বেলতে হবে। বেলার সময় কোনো বাড়তি ময়দা যোগ করা যাবে না। খুব সরু আর ইভেন করে বেলতে হবে। মোটা হয়ে গেলে কিন্তু ভাজার পর শক্ত হয়ে যাবে, খেতে বাজে লাগবে।

এরপর একটা ছোট বাটি দিয়ে গোল গোল করে কেটে নিন। একটা বড় পাত্রে বা থালায় ওই ছোট টুকরো গুলো পরপর সাজিয়ে রেখে ভেজা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখুন।


Panipuri


কড়ায়তে প্রয়োজন মত সাদা তেল দিয়ে ভাল করে গরম করুন।একটা তেলে ছেড়ে দেখুন যদি ছাড়ার পরেই তেলে ভেসে ওঠে, বুঝবেন তেল একদম সঠিক গরম হয়েছে। এরপর বাকি ফুচকা আস্তে আস্তে ভাজতে হবে। দেখবেন বলের মত সুন্দর ফুলে উঠছে। সোনালী রঙ না হওয়া পর্যন্ত ভাজতে হবে। ভাজা হলে তেল থেকে তুলে কিচেন পেপারে তেল শুষে নিন। ঠান্ডা হলে পরিবেশন করুন

আলু মাখার জন্য

প্রেশার কুকারে আলু ভালো করে সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে একটা পাত্রে ভালো করে চটকে নিন। এরপর ওই আলুর মধ্যে সেদ্ধ ছোলা, তেঁতুলের কাই, ধনেপাতা কুচি, কাঁচা লঙ্কা কুচি, ভাজা জিরে গুঁড়ো, চাট মশলা, পরিমাণ মতো বিটনুন দিয়ে ভালো করে মাখুন।